বুথিডং গণহত্যার তদন্তে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ আহ্বান এআরএনসির

বুথিডং গণহত্যার তদন্তে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ আহ্বান এআরএনসির

পার্বত্য সময় | August 6, 2025

আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গা বেসামরিকদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং যুদ্ধাপরাধের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

রোহিঙ্গাদের প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল (এআরএনসি) বুথিডংয়ে সংঘটিত সাম্প্রতিক গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি আন্তর্জাতিক নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) কাউন্সিলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গা বেসামরিকদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং যুদ্ধাপরাধের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বুথিডং শহরের দখল নেওয়ার পর আরাকান আর্মির সদস্যরা রোহিঙ্গা গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, বহু বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে এবং নারী-শিশুদের ওপর সহিংসতা চালিয়েছে। কাউন্সিলের দাবি অনুযায়ী, শত শত মানুষ নিহত বা আহত হয়েছে এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

Read more here.

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক মঞ্চ

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক মঞ্চ

By Ukiya News | July 16, 2025

মিয়ানমার, শরণার্থী শিবির ও বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গা নেতারা একত্র হয়ে গঠন করেছেন নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম—আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল (এআরএনসি)।

সংগঠনটির দাবি, এটি রোহিঙ্গা জনগণের একক রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব করবে এবং তাদের অধিকার ও স্বীকৃতির জন্য আন্তর্জাতিক পরিসরে লড়বে।

মিয়ানমারের থাইল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এআরএনসি জানায়, তারা ৪০ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও ৬০ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছে, যাতে রাখাইন রাজ্যের প্রায় প্রতিটি টাউনশিপের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

Read more here.

রোহিঙ্গা অধিকার আদায়ে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল’ গঠিত

রোহিঙ্গা অধিকার আদায়ে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল’ গঠিত

By Daily Inqilab | July 14, 2025

মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার, স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে একটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠন (প্ল্যাটফর্ম) গঠন করেছে। ‘আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল’ (ARNC) নামে এই সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে রোববার (১৩ জুলাই) ঘোষণা দিয়েছে। এর লক্ষ্য হলো মিয়ানমার ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বর তৈরি করা। রোববার (১৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

এআরএনসি (ARNC) জানায়, তারা রোহিঙ্গা জনগণের “অধিকার, স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব” আদায়ের জন্য কাজ করবে। কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে ৪০ জন এবং কেন্দ্রীয় কমিটিতে ৬০ জন সদস্য রয়েছেন, যাঁরা রাখাইন রাজ্যের প্রায় সবকটি শহর থেকে এবং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোর নেতাদের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। দশকের পর দশক ধরে চলা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, বৈষম্য ও ২০১৭ সালের সেনা অভিযানে সংঘটিত গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতেই এই সংগঠনের জন্ম বলে জানায় তারা।

Read more here.

রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন রাজনৈতিক সংস্থা গঠন : যুক্তরাজ্য প্রবাসী মি। তুন খিন চেয়ারপারসন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব করবে আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল (এআরএনসি)

রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন রাজনৈতিক সংস্থা গঠন : যুক্তরাজ্য প্রবাসী মি। তুন খিন চেয়ারপারসন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব করবে আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল (এআরএনসি)

By Teknaf Vision | July 13, 2025

রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন রাজনৈতিক সংস্থা গঠন : যুক্তরাজ্য প্রবাসী মি। তুন খিন চেয়ারপারসন

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব করবে আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল কাউন্সিল (এআরএনসি)

জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, কক্সবাজার :

বাংলাদেশের শরণার্থী ক্যাম্প এবং বিশ্বব্যাপী প্রবাসী রোহিঙ্গা নেতাদের একটি দল নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক সংগ্রামকে একত্রিত এবং এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্থা চালু করেছে।

রবিবার ১৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া আরাকান রোহিঙ্গা জাতীয় কাউন্সিল (এআরএনসি) জানিয়েছে যে এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে রোহিঙ্গা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে, যার মধ্যে সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুত এবং শরণার্থী ক্যাম্পে বসবাসকারীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এক বিবৃতিতে, দলটি বলেছে যে তাদের লক্ষ্য হল “অধিকার, স্বীকৃতি এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব” এর জন্য লড়াই করা এবং বিশ্বব্যাপী রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর প্রদান করা।

Read more here.